যে নিজেকে মুসলিম বলবে, তাকে কেটে ফেলবো। অনননাই মিডিয়ায় হিন্দু যুবক
যে নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করবে তাকে কেটে ফেলবো। হুঁশিয়ারি হিন্দু যুবকের।
ভারতে হিন্দুত্ববাদ এতটা চরম আকার ধারণ করেছে যে সেখানে কোন মুসলিম নিজেকে মুসলিম বলে পরিচয় দিলে, তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে ভারতের আরএসএস হিন্দুত্ববাদী সংগঠন সম্পর্কে হিন্দুদেরকে সাম্প্রদায়িক উগ্রতার দিকে ডেকে নিচ্ছে। তারা ভারতে হিন্দুদের কে হিন্দুত্ববাদের উপর প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আপ্রাণ চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা অনেকটাই সফল বলে মনে করি। তাদের এই সফলতার পিছনে অন্যতম কারণ হলো মোদি সরকার মোদি সরকারের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার কারণে আরএসএস বিশ্ব হিন্দুত্ববাদী পরিষদ এবং বিজেপি স্ত্রী মিলি ভারতের মুসলিমদের কে মিলন করার জন্য ওকে কাজ করছে। আমরা যদি লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাব মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি বিশেষ করে মুসলিম খৃষ্টান ও ইয়াহু ধর্মের মানুষের প্রতি চরম নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। তাইতো আমরা দেখতে পাচ্ছি তাবরেজ আনসারি সহ বহু মুসলিম কি কারনে অকারনে প্রাণ হারাতে হয়েছে।
তাদের প্রধান টার্গেট ছোট মুসলিম কেননা মুসলিমরা আজও পৃথিবীতে বেশি আছে। তার অন্যতম কারণ হলো, ভারতের হিন্দুদের কে হিন্দু ধর্মে আর আটকে রাখা যাচ্ছে না। হিন্দুরা ক্রমশ রে মুসলিম হতে শুরু করেছে। ইসলাম গ্রহণের কারণে ভারতে দ্রুত হারে হিন্দু জনসংখ্যা কমছে। তারা মনে করে হিন্দু জনসংখ্যা যদি এভাবে কমতে থাকে তাহলে একদিন বাংলাদেশের মতো ভারতেও হিন্দুরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। তাই তারা অদূর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে যে করে হোক মুসলিমদেরকে ভারতের সংখ্যালঘু রাখতে হবে, হোক সেটা হত্যার মাধ্যমে, অথবা তাদেরকে দেশ থেকে তাড়িয়ে, আর যারা ইসলাম গ্রহণ করছে তাদেরকে ভয়-ভীতি কেন দেখানোর মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণে উৎসাহিত করে হিন্দু ধর্মকে প্রতিষ্ঠা রাখতে হবে।
রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা। আরএসএস, ইসকন, হিন্দু পরিষদ এবং বিজেপি চাই ভারতে একটি রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে। সেই লক্ষ্যে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, ভারতে যদি রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে হয়, ভারতীয় ধর্মগুলোকে রেখে বিদেশি ধর্মগুলোকে ভারত থেকে বিসর্জন দিতে হবে। মানি ভারত থেকে বের করে দিতে হবে। এছাড়া এই ধর্মের অনুসারীরা যদি ভারতে থাকতে চাই তবে তাদেরকেই হিন্দু ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করতে হবে, হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেই ভারতবর্ষে থাকতে হবে।
তারা মনে করে ভারতীয় ধর্ম গুলো হলো হিন্দু ধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম, ও শিখ ধর্ম। এই ধর্ম গুলো ছাড়া বাকি যত ধর্ম আছে সবই বিদেশি ধর্ম। বিদেশি ধর্মের লোকদের ভারতবর্ষে থাকার কোন অধিকার নাই বলে তারা মনে করে। এছাড়াও ভারতীয় ধর্মের লোকেরা যদি ভারতে থাকতে হয় সেক্ষেত্রেও তাদেরকে হিন্দুত্ববাদ কে স্বীকৃতি দিয়ে ভারতবর্ষে তাদের ধর্ম নিয়ে থাকতে হবে। তারা তাদের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সর্বপ্রথম যাদেরকে টার্গেট করেছে তারা হল আব্রাহামিক বা ইব্রাহীমের ধর্ম গুলোকে। ফলে আমরা দেখতে পাই ভারতে ইব্রাহিম লোকেরা সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত।
কোন মন্তব্য নেই