করোনা ভাইরাস প্রাকৃতিক বিপর্যয়? না মানুষের সৃষ্ট? এ সম্পর্কে আমার নিজস্ব মন্তব্য।||| 2য় পার্ট|||
করোনা ভাইরাস প্রাকৃতিক বিপর্যয়? না মানুষের সৃষ্ট? এ সম্পর্কে আমার নিজস্ব মন্তব্য।||| 2য় পার্ট|||
আমরা করোনাভাইরাস উৎপত্তি সম্পর্কে ধারাবাহিক একটা আলোচনা করে যাচ্ছিলাম আমরা গত পর্বে আলোচনা করেছিলাম। ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'চাইনা ভাইরাস' উক্তির বিশ্লেষণ, কোন প্রাণী থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি সম্ভাবনা আছে কিনা, এই নিয়ে আমরা আলোচনা করেছিলাম। যারা ওই আলোচনাটি পান নাই তারা চাইলে নিচের লিঙ্ক থেকে পড়ে আসতে পারবেন। আজকে আলোচনা করতে চাই, ডেনিম সোহার্তো র উক্তি ও 'রেডিও ফ্রি এশিয়া' 2014 সালের রিপোর্ট' প্রকাশ বিশ্লেষণ।
রেড়িও ফ্রি এশিয়ার প্রতিবেদনঃ
রেডিও ফ্রি এশিয়া' জানুয়ারির তৃতীয় সাপ্তাহে চীনের 'উহান টেলিভিশনের' ২০১৪ সালের একটি রিপোর্ট পুনঃপ্রকাশ করে। তাতে চীনের সবচেয়ে উন্নত ভাইরাস গবেষণা পরীক্ষাগার দাবি করা হয় এটিকে, যা 'উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি' নামে পরিচিত। এই ল্যাবটি চীনের একমাত্র ঘোষিত ল্যাব যাতে সবচাইতে ডেঞ্জারাস ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে পারে।
ডেনিম সোহার্তোর অভিযোগঃ
ইসরাইলের সাবেক সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা 'ড্যানি শোহম', যিনি চীনা জীবাণু গবেষণা বিভাগে অধ্যয়ন করেছেন, তিনি বলেন,
এই ইনস্টিটিউট বেইজিংয়ের গোপন জীবাণুঅস্ত্র কর্মসূচির সাথে যুক্ত।
এই ইনস্টিটিউটে কিছু পরীক্ষাগার সম্ভবত চীনা (জৈবিক অস্ত্র) তে গবেষণা এবং বিকাশের ক্ষেত্রে নিযুক্ত রয়েছে। তবে চীনা বিডাব্লু সারিবদ্ধকরণের মূল ব্যবস্থা হিসাবে নয়।
তিনি আরো বলেন,
এই গবেষণাটি সামরিক এবং বেসামরিক যৌথভাবে পরিচালিত হয়।
এখন আমরা যদি ছবিটি দেখি, চীনের এই বায়োলজিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে ওহানের হুনান মার্কেটের দূরত্ব। তাহলে আমরা দেখতে পাব মাত্র 16 কিলোমিটার যা অতিক্রম করতে সময় লাগে 25 মিনিট। নিচে আমরা তিনটা স্ক্রিনশট দিয়ে দিয়েছি। ওই ইনস্টিটিউট থেকে পরিকল্পিতভাবে ভাইরাস ছড়ানো সম্ভব। আমরা যদি নিচের মানচিত্র দিকে তাকায় তাহলে দেখতে পাব শহর থেকে ওই হাসপাতাল এবং ইনস্টিটিউটে যাওয়ার মাঝপথে একটি সমুদ্র রয়েছে মূলত সমুদ্র থেকেই মৎস আরোহন করে অনেকে হুনান মার্কেটে বিক্রি করে থাকেন।
ধারণা করা হয় চায়নারা তাদের পরীক্ষামূলকভাবে এই অস্ত্রটি মানুষের মাঝে প্রয়োগ করেছে। আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি, চায়নারা 'উইঘুর মুসলিমদের' উপরে কেমন অত্যাচার করেছিল। সেই ঘটনা বর্ণনা করেছিলো এমেরিকাতে এক মুসলিম নারী, যার নামটি এখন আমার মনে নেই। যা আন্তর্জাতিক শিরোনাম হয়েছিল। সে বলেছিল,
চীনের খবর বহির্বিশ্বে বের হতে পারে না চীনারা এটাকে শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। ওখানে কোন মিডিয়া ঢুকতে পারে না তাদের অনুমতি ছাড়া।
চাইনারা কোন পরীক্ষা প্রয়োজন হলে, তা প্রথমে প্রাণীর উপর এবং পরবর্তীতে মানুষের উপর প্রয়োগ করে। থাকে বিশেষ করে রাজবন্দীদের উপর। তাদের স্বেচ্ছাচারিতার বিরোধিতা করার ক্ষমতা কারো নেই।
আমরা যদি মানচিত্রের দিকে তাকায় তাহলে দেখতে পাব যে, তিন ভাবে হুনান মার্কেটে যাওয়া যায় গবেষণাগার থেকে। গবেষণাগারটি থেকে কোন মার্কেটে যেতে মাত্র 25 মিনিট সময় লাগে। যা আমরা গুগল থেকে নিয়েছি। এখন আমরা দেখতে পাই যে, সোহার্তোর বর্ণনা এবং রেডিও এশিয়ার বর্ণনা ও গুগোল ম্যাপে মিলে যাচ্ছে। অতি অল্প সময় ভিতরে এই ভাইরাসটি মার্কেটে ছড়িয়ে নিরাপদে গবেষণাগারে ফিরে যাওয়া সম্ভব। হয়তোবা চীনা সরকার পরীক্ষামূলক ভাবে এই অস্ত্রটি অত্যন্ত সুকৌশলে মানুষের মধ্যে বিস্তার ঘটিয়ে ছিল । যা আমরা উইগল নির্যাতিতা সেই নারী এবং ভারতীয় শিক্ষিকা নারী স্টেটমেন্ট এর মাঝে প্রমাণ পায়।চীনা সরকারের বহু স্বেচ্ছাচারিতার প্রমাণ আমরা ইন্টারনেটে দেখতে পায়। যার নতুন করে বর্ণনা করার প্রয়োজন পড়ে না।
সাত বছর আগে Twitter কিভাবে সম্ভব?
যদিও কালেরকণ্ঠ এই ব্যাপারে কোন তথ্যসূত্র প্রকাশ করেনি। আর প্রকাশ করলেও হয়তোবা ব্যক্তির জীবন অনিরাপদ হতে পারে। এজন্য তারা সেটাকে গোপন রেখেছে।
আমার প্রশ্ন হল কি করে একজন মানুষ জানতে পারল যে সাত বছর পরে পৃথিবীতে করোনা ভাইরাস মহামারী সৃষ্টি করবে।
কোন মানুষ যদি কোন বিষয়ে পূর্বাভাস দিতে হয় তাহলে সে সম্পর্কে কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে হয় পৃথিবীতে এখনো এমন কোনো যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা সাতবছর পরের মহামারী কি সাত বছর আগে শনাক্ত করতে পারবে। মানুষ কয়েক ভাবে ভবিষ্যৎ জানতে পারে।
ক, যদি তার সাথে কোন মহাজাগতিক শক্তির সাথে সম্পর্ক থাকে, যার সাথে সে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে আর এই কাজটা করতে পারে এক নাম্বার হচ্ছে ঐশ্বরিক দূত, আর দ্বিতীয় টি হল শয়তানের সাথে সম্পর্ক করে।
যেহেতু এই দুইটির কোনটির সে দাবী করে নাই সেহেতু তার সাথে মহাজাগতিক কোন সম্পর্ক ছিল না বলে আমরা ধরে নিতে পারি।
খ, আর একটা পর্যায়ে মানুষ ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলতে পারে তা হল কোন একটা কর্মের গতিবিধি দেখে অনুমান করা যায় যে আগামী 10 বছর পরে এই গরমে ফলাফল কি হবে শুধু 10 বছর নয় 100 বছর পরেও এরূপ আনুমানিক তথ্য দেওয়া যেতে পারে যা সাধারণত তথ্য উপাত্তের উপর নির্ভরশীল।
তাহলে কি আমরা ধরে নিবো এই লোইটা কোন না কোন ভাবেই চাইনাদের এই জৈব রাসায়নিক অস্ত্র সমৃদ্ধকরণ সম্পর্কে অবগত হয়েছিল। হ্যাঁ এটাই সত্য কথা যে সে কোন না কোনভাবে এই সম্পর্কে অবগত হয়েছিল। এমনও হতে পারে ওই লোকটি বেসামরিক গবেষণায় অংশ নিয়ে ছিল যা পরবর্তীতে সে যখন বুঝতে পারে এটাকে অস্ত্রে রূপান্তরিত করা হচ্ছে, তখন সে নীরব প্রতিবাদ হিসেবে তার টুইটারে ব্যক্ত করেছিল।
আপনি হয়তো বলবেন ইলুমিনাতি ছিল। কিন্তু ইলুমিনাতির এখনো ঐশ্বরিক শক্তির সাথে সংযুক্ত নয় ।যদিও আমরা ধরে নিই তাদের সাথে ঐশ্বরিক কোন শক্তির সংযোগ হয়ে থাকে, তাহলে তাহলে আমরা বলতে পারি তাদের সাথে শয়তানের সাথে সম্পর্ক যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেছেন।
নিশ্চয় শয়তান কি করে তার বন্ধুদের নিকট।
আমরা ইলুমিনাতি কি সেই নিয়ে অন্য দিন আলোচনা করব। কিভাবে তারা পৃথিবীর অনেক ঘটনার পূর্বাভাস প্রদান করে। তবুও সংক্ষেপে এইটুকু স্পষ্ট করতে চাই যে,
ইলুমিনাতি যে সমস্ত ঘটনার পূর্বাভাস প্রদান করে মূলত তারা যেকোন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করার পর সেটাকে বাস্তবায়নের যোগ্য করার পরই তারা তারা সেই সম্পর্কে পূর্বাভাস প্রদান করে।
এই আয়াত থেকেআমরা জানতে পারি যে, উৎসের দিক থেকে ওহী দুই প্রকার।
একটি হল স্রষ্টার পক্ষ থেকে অন্যটি হলো শয়তানের পক্ষ থেকে স্রষ্টার পক্ষ থেকে, যা কেবল নবী-রাসূলদের জন্য সীমাবদ্ধ। শয়তানের পক্ষ থেকে যাহা প্রাপ্ত হয় তা শয়তানের অনুসারীদের সাথে সম্পৃক্ত যারা শয়তানের কার্যবিধি বাস্তবায়নের সাথে সম্পর্কিত থাকে।
সুযোগ পেলে ইলুমিনাতি সম্পর্কে অন্য সময় আবার আলোচনা করা যাবে। সুতরাং যদি তিনি বা ব্যক্তি ইলুমিনাতি হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তিনি এই অপরাধের সাথে প্রত অথবা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিল অথবা সেই সম্পর্কে জানাতে নীরব প্রতিবাদ হিসেবে টুইট করেছিলেন ।
চলবে..........
কোন মন্তব্য নেই